হাঁসের খামারে স্বাবলম্বী ইয়াকুব আলী | Yakub Ali is self-sufficient in duck farm

রাজবাড়ীতে হাঁসের খামারে স্বাবলম্বী ইয়াকুব আলী। তিনি রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে বসবাস করেন। বাড়ির সামনে খড় দিয়ে ছোট একটা মাচালি পেতে থাকার জায়গা করে সেখানে রাত্রিযাপন করেন তিনি সামনে জাল দিয়ে ঘেরা প্রায় তিনশ হাস আটকানো রয়েছে, সেখানেই খুব সকালে কথা হয় তার সাথে। তার নাম ইয়াকুব আলী ব্যাপারী, পিতা বিরাজ ব্যাপারী।

ইয়াকুব আলী বলেন, আগে মুরগির খামার করতাম কিন্তু গত তিন চার বছর ধরে হাসের খামার করতেছি, এতে লাভ বেশি এবং খরচ কম। রোগ-বালাই নেই বললেই চলে। এই যে দেখতেছেন সারা মাঠ পানিতে প্লাবিত একটু পর ছেড়ে দিলে সারাদিন পানিতে থাকবে পানিতে চড়ে বেড়াবে, সকালে কিছু খাবার দিয়ে ছেড়ে দিব আর সন্ধ্যায় যখন আসবে। তখন খাবার দিলেই হয়, সারাদিন দেখে দেখে রাখতে হয় তা-না করলেই মাঝে মাঝে দুই একটা হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। চারশ হাস কিনেছিলাম এখন আছে প্রায় ৩০০।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইয়াকুব আলী এই এলাকায় বেশ পরিচিত হাঁস পালনের জন্য তার বাড়তি কোনো খরচ নেই সে মাঠেই হাঁস রাখে। ঝড়-বৃষ্টিতে কোনো সমস্যা হয় কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন ঝড়-বৃষ্টিতে হাসের কোনো রোগ-বালাই হয় না, মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে এখানে হাঁটু সমান পানি হয়ে যায়। একদিন সকালে উঠে দেখি এখানে হাঁটু সমান পানি হয়ে গেছে, আর হাঁসগুলো তার মধ্যে সাঁতার কাটছে। তবে মাঝে মাঝে একটু আধটু ঠান্ডা লাগলে ভিটামিন খাওয়ালে ঠিক হয়ে যায়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, এ উপজেলাল্য দরিদ্র পরিবার ক্ষুদ্র আকারে হাঁসের খামার করে লাভবান হয়েছেন। তবে উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের ইয়াকুব আলী অল্প শিক্ষিত হয়েও পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ও কঠোর পরিশ্রম করে উপজেলার মধ্যে সফল হাঁস খামারি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। হাঁস পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। যে কোনো বেকার নারী-পুরুষ হাঁস পালনে এগিয়ে এলে সবাইকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে সাহায্য করা হবে।

Yakub Ali is self-sufficient in a duck farm in Rajbari. He lives in ward 4 of Chhota Vakla union in Goaland upazila of Rajbari district. He spends the night in front of the house with a small straw hut. He has about three hundred smiles in front of him, surrounded by nets. His name is Yakub Ali dealer, father is Biraj dealer.

Yakub Ali said, “I used to farm chickens but for the last three or four years I have been farming chickens. It is more profitable and less costly.” It goes without saying that there is no disease or plague. You see, if you leave the whole field flooded after a while, you will be in the water all day, floating in the water, I will leave you with some food in the morning and when you come in the evening. Then you have to give food, you have to watch it all day, sometimes there is a fear of losing one or two. I bought four hundred smiles and now there are about 300.

According to the locals, Yakub Ali keeps ducks in the field at no extra cost for raising well-known ducks in the area. Asked if there is any problem in storms and rains, he said that there is no disease in laughter in storms and rains. One morning I woke up and saw that my knees were covered with water, and the ducks were swimming in it. However, sometimes if you feel a little cold, you can take vitamins.

Upazila Livestock Officer. Mizanur Rahman said the poor families of the upazila have benefited from small scale duck farms. However, Yakub Ali of Chhota Vakla Union of the upazila, despite being less educated, has gained recognition as a successful poultry farmer in the upazila by applying his previous experience and working hard. Poultry farming is a lucrative business. If any unemployed men and women come forward to raise ducks, everyone will be helped by the Upazila Livestock Department.

Check Also

আমাকে বিয়ে করলে পাত্র বিয়ের আসরেই পাবে ৯০ লাখ টাকা: পাত্রী

আমাকে বিয়ে করলে পাত্র বিয়ের আসরেই পাবে ৯০ লাখ টাকা: পাত্রী

ব্য’ক্তিগত জীবনে ডি”ভো’র্সি। ফের বিয়ে ক’রতে চান। কিন্তু পাত্র ২৩ বছর বয়সী। একই সাথে বা’ন্ধবী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *