The decision not to open primary school is coming

প্রাথমিক বিদ্যালয় না খোলার সিদ্ধান্ত আসছে

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) আগামী কয়েকদিনের মধ্যে নির্দেশাবলী জারি করতে পারে। এ জাতীয় তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে।

যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি আংশিকভাবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে বিভাগটি এই ধারণা থেকে সরে এসেছে।

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি স্কুল রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, প্রশাসনিক কাজের জন্য খোলা হবে না, তবে করোনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

এদিকে, সোমবার (১ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিসগুলিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি, বিজ্ঞান পরীক্ষাগার, গ্রন্থাগার, সরঞ্জাম রক্ষণাবেক্ষণ এবং

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো প্রশাসনিক কাজের জন্য সীমিত আকারে উন্মুক্ত রাখার অনুমতি দিয়েছে। তবে অসুস্থ ও গর্ভবতী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ লোকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

শিক্ষক ইউনিয়নের নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অনেক শিক্ষক মাঠে কাজ করার সময় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে পরীক্ষায় বসবে বলেও সরকারের ধারণা রয়েছে।

বর্তমান করোনার পরিস্থিতিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিভিন্নভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকদের প্রতিদিন টেলিভিশনে প্রচারিত শিক্ষণ পর্যবেক্ষণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কারণে প্রাথমিক শিক্ষার নীতি নির্ধারকরা কোনও নতুন কাজে শিক্ষকদের জড়িত করতে রাজি নন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিইর মহাপরিচালক মোঃ ফসিউল্লাহ মঙ্গলবার জাগো নিউজকে জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মতো কোনও গুরুত্বপূর্ণ অফিসের কাজ নেই। কোনও প্রতিষ্ঠান খোলার দরকার নেই।

আংশিক খোলার বিষয়ে চিন্তাভাবনা বাতিল করা হয়েছে। করোনার এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মাঠ থেকে প্রশাসনের সাথে কাজ করছেন। নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ, সুতরাং শিক্ষকদের কোনও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হবে না।

তিনি আরও জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি Eidদুল ফিতরের জন্য ৮ ই জুন অবধি বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৫ ই জুনের মধ্যে বাড়ানো হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় না খোলার সিদ্ধান্ত

তবে ১৫ ই জুনের মধ্যে করোনার মহামারীটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার কোনও চিহ্ন নেই। সুতরাং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্কুলটি খোলা হবে না। অতএব, স্কুল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ধারণাটি চলছে।

‘বিষয়টি মন্ত্রকের সাথে আলোচনা হয়েছে। পরের দু’দিনে ছুটি বাড়িয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে। সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে বলা হতে পারে, ”তিনি বলেছিলেন।

মহাপরিচালক বলেছিলেন, সংসদীয় টেলিভিশনে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পাঠ নিয়মিত প্রচার করা হচ্ছে। শিক্ষকরা প্রতিদিন সেখানে হোমওয়ার্ক করছেন।

ঘরে বসে অভিভাবকদের সহায়তায় অস্থায়ী পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সুতরাং করোনার পরিস্থিতির কারণে স্কুলটি যদি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় তবে এটি শিক্ষার্থীদের উপর প্রভাব ফেলবে না।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, আমাদের মূল কাজ বাচ্চাদের শিক্ষিত করা। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়, বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য কোনও প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই।

তবে উপবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাধারণ কার্যক্রম অস্থায়ীভাবে চলছে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় এবং পরিস্থিতি কখন স্বাভাবিক হবে তা জানা যায়নি। সুতরাং আমরা প্রতিষ্ঠানটি খোলার বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি। এ বিষয়ে বিভাগ সিদ্ধান্ত নেবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

 

Check Also

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ২৮ জুন ২০২১

প্রতিদিনই আমাদের চারপাশে অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে হয়তো আলোচনায় আসে হাতেগোনা কিছু। তবে সময় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *