fbpx

Scientists are in danger of discovering a corona infection prevention device

অস্ট্রেলিয়ান এক বিজ্ঞানী এমন একটি যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছিলেন যেটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সাহায্য করবে। কিন্তু এটি উদ্ভাবন করতে গিয়ে যন্ত্র থেকে ছোট্ট চুম্বক খণ্ড তার নাকের ভেতর আটকে গেল। তখন এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে তাকে দৌড়াতে হলো হাসপাতালে।

ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন যা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন সেটি অনেকটা নেকলেস বা কণ্ঠহার আকৃতির একটি যন্ত্র। কেউ মুখে হাত দেয়ার চেষ্টা করলেই এই যন্ত্রটি শব্দ করে সতর্ক করে দেয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন, ড. রিয়ার্ডনের যন্ত্রটি আসলে সেভাবে কাজ করছিল না।

‘আমার আবিষ্কারটির বেলায় আসলে উল্টো ব্যাপার ঘটলো- এটি ক্রমাগত শব্দ করে যাচ্ছিল যতক্ষণ না এর কাছে একটি চুম্বক এনে রাখা হচ্ছিল। বিপদে পড়েছি বুঝতে পারছিলাম। আমি নিজে নিজেই হাসছিলাম এবং হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। এরপর আমি কোন কিছু না ভেবেই এই চুম্বকের টুকরোগুলো আমার মুখের ওপর রাখতে শুরু করলাম।

‘প্রথমে আমার কানের লতিতে, তারপর আমার নাকের ফুটোর কাছে। তবে বিপদ ঘটলো যখন আমি দ্বিতীয় নাকের ফুটোর কাছেও একটা চুম্বক রাখলাম। তখন চুম্বকের টুকরোগুলো একটা আরেকটার সঙ্গে লেগে গেল। একটা চুম্বক আমার নাকের ভেতর আটকে গেল।’

ড. রিয়ার্ডন অন্য চুম্বকের টুকরোগুলো ব্যবহার করে ভেতরের টুকরোগুলো বের করে আনার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠলো। শেষ দুটি চুম্বকের টুকরোও নাকের ভেতর আটকে গেল। এবার তিনি একটি প্লায়ার্স ব্যবহারের চেষ্টা করলেন। কিন্তু নাকের ভেতরের চুম্বকগুলো তার প্লায়ার্সটিকে আকর্ষণ করছিল। তখন তিনি নাকের ভেতর ব্যথাও অনুভব করছিলেন।

ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন অবশ্য খুব শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করলেন। ‘প্রথমে একটু ব্যথা লাগছিল। তবে আমি খুব বেশি বিচলিত হইনি। কিন্তু যখন আমি বুঝতে পারলাম যে এই চুম্বকের টুকরোগুলো আমার পক্ষে বের করা সম্ভব নয়, তখন আমি বেশ ঘাবড়ে গেলাম।’

এই পর্যায়ে এসে ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন বুঝতে পারলেন এবার তাকে মেলবোর্নের স্থানীয় হাসপাতালে যেতেই হবে। যে হাসপাতালে তাকে যেতে হলো সেখানে কাজ করেন তার প্রেমিকা।

‘ডাক্তাররা সবাই আমার বান্ধবীকে চিনতো। তারা সবাই হাসাহাসি করছিল। তারা জিজ্ঞেস করছিল তুমি কি নাকের ভেতর চুম্বকের টুকরো রাখছিলে?’

তবে ডাক্তাররা শেষ পর্যন্ত চুম্বকের টুকরোগুলো নাকের ভেতর থেকে বের করে আনতে পারলেন। শেষ পর্যন্ত সুস্থভাবেই তিনি হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে সক্ষম হলেন। ড. ড্যানিয়েল রিয়ার্ডন তার যন্ত্র উদ্ভাবনের কাজে আপাতত ক্ষান্ত দিয়েছেন। বিবিসি বাংলা।

 

 

————————————————

 

An Australian scientist was trying to design a device that would help people prevent coronavirus infection. But as it was invented, a small magnet piece from the machine stuck inside his nose. Then he had to run to the hospital to escape the danger.

Dr. What Daniel Reardon was trying to create was a lot of necklaces or vocals. This device will try to sound the warning only when someone tries to put a hand in his mouth. But as planned, Dr. Reardon’s machine didn’t really work that way.

“The opposite happened to my invention – it was constantly sounding until a magnet was being placed near it. I was in danger. I was laughing at myself and giving up. Then I started to put these magnet pieces on my face without thinking of anything.

‘First to the lid of my ear, then to the tip of my nose. However, the danger came when I placed a magnet near the second nostril. Then the pieces of the magnet became attached to each other. A magnet stuck inside my nose. ‘

Dr. Reardon tried to pull the pieces inside using other magnet pieces. But the situation became more complicated. The last two magnets were also stuck inside the nose. This time he tried using a pliers. But the magnets inside his nose were attracting his pliers. He was also feeling pain in his nose.

Dr. Daniel Reardon, however, tried to deal with the situation very calmly. ‘There was a little pain at first. However, I was not too upset. But when I realized that it was not possible for me to remove these pieces of magnets, I was quite nervous. ‘

At this stage, Dr. Daniel Reardon realized he must go to a local hospital in Melbourne this time. Her lover works at the hospital where she has to go.

‘The doctors all knew my girlfriend. They were all laughing. They were asking if you were holding a piece of magnet inside your nose? ‘

However, doctors finally managed to pull the magnet pieces out of the nose. He was finally able to recover from the hospital. Dr. Daniel Reardon has devoted his time to inventing machines. BBC Bangla.

শেয়ার করুন বন্ধুদের

Check Also

করোনায় আক্রান্ত হলেন তথ্যসচিব

করোনায় আক্রান্ত হলেন তথ্যসচিব তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহারের করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় পজিটিভ ফল এসেছে। …