১১ নির্দেশনা এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য

আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা, শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর। সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত সূচি প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কোভিড ১৯ এর বিরূপ সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়

১১দফা নির্দেশনাগুলো হলো

১.কোভিড ১৯ মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২.পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে নিজ নিজ আসনে বসতে হবে।

৩.প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৪.পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, এমসিকিউ এবং সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচিনী প্রশ্নপত্র বিতরণ,

সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র ওএমআর শিট সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিটট বিতরণ, দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ আর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী (ওএমআর শিট) উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

৫.পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।

৬.প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে দেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭.ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তাত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক খাতার (নোটবুক) অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে, প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতার (নোটবুক) নম্বর প্রদান করে নম্বরসমূহ ০৩/০১/২০২২ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

৮.প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।

৯.কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০.পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

১১.পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিচার ফোন (স্মার্ট ফোন ব্যতীত) ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া পরীক্ষার হলে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

Check Also

২১ অক্টোবর ৭ কলেজে সশরীরে ক্লাস শুরু

করোনার কারণে দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *