সুখবরঃ বাংলাদেশের করো’না থেকে মুক্তির পথ ৫টি

সুখবরঃ বাংলাদেশের করো’না থেকে মুক্তির পথ ৫টি

বাংলাদেশ করো’নার অ’ন্ধকার গহ্বরে ডুকে গেছে, এখন করো’নার বিভীষিকা কতটা ভ’য়ঙ্কর হবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো বাংলাদেশের সামনে সুযোগ রয়েছে। অনেক নে’তিবাচক কাজের পরেও কিছু ইতিবাচক কাজ করেছে বাংলাদেশ।

করো’নার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার আগেই বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা হয়েছিল এবং হা*সপা*তাল ব্যবস্থাপনাতে সী’মাব’দ্ধতা সত্ত্বেও কিছু পদ’ক্ষেপ নিয়ে রেখেছে।

তবে বিশেষ’জ্ঞরা বলছেন যে, করো’না থেকে বাঁ’চতে হলে এখন আমাদের কঠি’নভাবে কিছু পদ’ক্ষেপ নিতে হবে।

তাহলে করো’নার যে প্রকোপ লাগামহীনভাবে বেড়ে চলছে সেটাকে নিয়’ন্ত্রণে আনা যাবে, সীমাব’দ্ধ করা যাবে এবং একটি যু’ক্তিসঙ্গত সময়ে করো’নার মহামা’রি থেকে বের হয়ে আসা যাবে। বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে এই ব্যাপারে পাঁ’চটি সুনি’র্দিষ্ট কর্মপ’ন্থার সুপারিশ করছি আম’রা;

লক ডাউনের মেয়াদ বাড়াতে হবে


বর্তমানে ২৫ই এপ্রিল প’র্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বিশেষ’জ্ঞরা বলছেন, এখন করো’নার পিক সিজন শুরু হয়েছে। তাই আগামী দুই সপ্তাহ, বা কেউ কেউ মনে করেন পুরো চলতি মাসটা অ’ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মাঝেই বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

কাজেই এখনই যদি আম’রা ছুটি বা লক ডাউন প্রত্যা’হার করি, তাহলে পরি’স্থিতি অবনতি হতে পারে এবং আম’রা আরো গভীর সঙ্ক’টের মধ্যে পড়তে পারি।

এই কারণে তাঁরা মনে করছেন যে, আমাদের করো’নার প্রকোপ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে লক ডাউনের মেয়াদ বাড়াতে হবে এবং শুধু সাধারণ ছুটি নয়, কঠিনভাবে এই লক ডাউন জা’রি করতে হবে যাতে সব ধরণের কর্মকা’ণ্ড ব’ন্ধ থাকে।

করো’না সচেতনতা বাড়াতে হবে


আম’রা যতই বলি, সরকার এটা করেনি কেন, ওটা করেছে কেন? তবে করো’না থেকে বাঁ’চার জন্য আমাদের সচেতনতা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। আম’রা দেখেছি যে, ২৬শে মা’র্চ থেকে ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে সরকারি নির্দেশনা মানছেন না অনেকেই।

অন্ত’ত ৩০ ভাগ মানুষ ঘর থেকে নিয়মিত বের হচ্ছেন নানা অজুহাতে, আম’রা মে’লামে’শা করছি ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের ব্যাপক সচেতনতার অভাব রয়েছে। বাংলাদেশের একটি বড় অং’শের মানুষ এখনো বুঝতেই পারেনি এটা কত ভ’য়ঙ্কর এক ব্যা’ধি।

এই কারণে সচেতনতা বাড়াতে হবে, সরকারি উদ্যোগে রেডিও, টেলিভিশন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচরণামূলক সত’র্কতা বাড়াতে হবে, বিশেষ করে গুজবের বি’রুদ্ধে সত্য বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে।

চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের কাজে নামাতে হবে


আমাদের দুর্ভা’গ্য যে আম’রা এখনো চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য ক’র্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে পারিনি। করো’না চি’কি’ৎসার মূল স্রোতের সাথে তাঁদেরকে মে’শা’তে পারিনি।

বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে যেভাবে অনেক চি’কি’ৎসক অবসর ভে’ঙ্গে চি’কি’ৎসা সেবায় ফিরেছেন, স্ব ইচ্ছায় নার্সিংয়ে নেমেছেন, বাংলাদেশে ঘটছে তাঁর উল্টোটা।

আর এই অব’স্থাটার অব’শ্যই উত্তরণ ঘটাতে হবে, চিকিৎসকদের কাজে নামাতে হবে। তাহলে জনমনে যে অস্ব’স্তি, আত’ঙ্ক সৃ’ষ্টি হচ্ছে তা দূর হবে এবং চি’কিৎসকরা যখন তাঁদের উপদেশ, পরাম’র্শ দিবেন সেটা তখন মানুষ অনেক বেশি মানবে।

বেসরকারি হা*সপা*তালগুলোকে যু’ক্ত করতে হবে


আমাদের করো’না চি’কিৎসায় বেসরকারি হা*সপা*তালগুলো এখনো যু’ক্ত হয়নি, সেই হা*সপা*তালগুলোতে করো’না পরীক্ষার কোন উদ্যোগও নেয়া হয়নি।

কিন্তু পৃথিবীর সবগুলো দেশ, এমনকি পাশের দেশ ভা’রতেও বেসরকারি হা*সপা*তালগুলোতে র’ক্ত পরীক্ষাসহ বেশকিছু স্বা’স্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশে বেসরকারি হা*সপা*তালগুলো মোট স্বা’স্থ্যসেবার ৬০ ভাগ দখল করে আছে। কাজেই বেসরকারি হা*সপা*তালগুলোকে এই করো’না যু’দ্ধে শামিল করার কৌশল খুব দ্রুতই নিতে হবে।

সরকারের কাজের সমন্বয় করা


সরকার অনেকগুলো কাজ করছে কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যেমন সমন্বয় নেই, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের তেমন সমন্বয় নেই। তাই করো’না মোকাবেলায় সরকারের সমন্বয় যেকোনভাবে বাড়াতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মাসটি আমাদের জন্য অ’ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই মাসে যদি আম’রা খুব কঠোরভাবে এই পাঁচটি কাজ অনুসরণ করি এবং এই পাঁচটি কাজ পালন করি তাহলে আম’রা করো’নার এই ভ’য়াল থাবা থেকে হয়তো আস্তে আস্তে বের হয়ে আসতে পারবো।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করো’নার প্রকোপ থেকে চটজলদি বের হবার কোন পথ নেই। চীন তাঁদের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অন্তত তিন মাস সময় লেগেছে।

অন্যান্য দেশ এখনো পরীক্ষিত নয়। কাজেই আমাদের অ’পেক্ষা করতেই হবে এবং অস্থির, ধৈর্য্যহারা হয়ে ঘর থেকে বের হলে চলবে না।

Check Also

ভ্যাকসিন ছাড়াই নির্মূল হবে করোনা, সুখবর দিলেন গবেষক

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে তিনটি প্রতিষেধক বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে, চলছে চূড়ান্ত পর্বের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *