ভারত(India)

ভারত(India):

ভারত ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশদের নিকট হতে স্বাধীনতা লাভ করে। তাই এই দিনটি ভারতের স্বাধীনতা দিবস’ বলা হয়।

১. রাষ্ট্রীয় নামঃ প্রজাতন্ত্রী ভারত।

২. রাজনৈতিক পদ্ধতিঃ গনতন্ত্র।

৩. সরকার পদ্ধতিঃ সংসদীয় পদ্ধতি।

৪. আয়তনঃ ৩,২৮৭,২৪০ কিঃ মিঃ ( আয়তনে বিশ্বে ৭তম )

৫. মুদ্রায়ঃ রূপি

১৯৪৭ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে ভারতের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধান কার্যকরের মধ্য দিয়ে ভারত প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। ভারতীয়রা প্রতি বছর ২৬ জানুয়রি তারিখটি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসাবে পালন করে।ভারতে বিশ্বেও সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান ভারতের।জনসংখ্যায় ভারত সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ।

কাশ্মীর:

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের বিদায়ের সময় কাশ্মীর ছিল হিন্দুরাজা হরি সিং শাসিত মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ট এলিট করদ রাজ্য । মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট হওয়ায় এই রাজ্য পাকিস্থানের সাথে একিভূত হওয়ায় কথা থাকলেও কাশ্মীরের শেষ রাজা হরি সিং ভারতের সাথে যোগ দিলে কাশ্মীর সমস্যার সূত্রপাত হয়। বর্তমান কাশ্মীরের ৪৩% ভূমি ভারতের দখলে ( জম্বু কাশ্মীর লাদাখ ও সিয়াচেন হিমবায়), ৩৭% ভূমি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রনে ( আজাদ কাশ্মীর ) এবং বাকি ২০% চীনের নিয়ন্ত্রনে ( আকসাই চীন, ট্রান্স কারাকোরাম ট্রাক্ট ) রয়েছে । ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের লাখাদ অংশে বৌদ্ধরা সংখ্যা গরিষ্ট। এখন পর্যন্ত কাশ্মীর নিয়ে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৪৭, ১৯৬৫, ১৯৯৯ সালে মোট ৩ বার যুদ্ধ হয়েছে। কাশ্মীর নিয়ে ভারত চীনের যুদ্ধ হয় ১৯৬২ সালে।

আইনসভা:

১৯৫০ সালে প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ষষ্ট জর্জ ছিলেন এই দেশের রাজা। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী। শাসন ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রীয়। কেন্দ্রে এবং রা্জ্যগুলিতে আলাদা আলাদা আইনসভা রয়েছে। কেন্দ্রের আইনসভার নাম সংসদ। ভারতীয় সংসদ দুই কক্ষ বিশিষ্ট। নিম্নকক্ষ হলো লোকসভা এবং উচ্চকক্ষ হলো লোকসভা এবং উচ্চকক্ষ হল রাজ্যসভা । বর্তমান লোকসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪৫ জন। ৫৩০জন সদস্য ২৯ রাজ্যের জনগনের ভোটে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত । ১৩ জন সদস্য ভারতের সাতটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে নির্বাচিত এবং ২টি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক্ মনোনীত হন।

বর্তমানে রাজ্যসভার সদস্য সংখ্যা ২৪৫ জন। এদের মধ্যে ১২ জন জ্ঞানী- গুনী সদস্যকে রাষ্ট্রপতি মনোনীত করেন আর বাকীরা তথা ২৩৩ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইনসভার সদস্যরা । লোকসভা ও রাজ্য সভার সদস্যদের বলা হয় সাংসদ।

ভারতের মোট রাজ্য সংখ্যা ২৮। সর্বশেষ ২৮তম রাজ্য তেলেঙ্গানা ।

মাদার তেরেসা:

মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগষ্ট তৎকালীন সাম্রাজ্যে (বর্তমান স্কোপেজ,রিপাবলিক অব মেডিডোনিয়ার অন্তর্ভুক্ত) জন্মগ্রহন করেন । তিনি জাতিতে ছিলেন আলবেনীয়। ১৯২৮ সালে ভারতে আসন এবং ১৯৪৮ সালে ভারতের নাগরিকত্ব পান। দুঃস্থ মানবতার সেবার জন্য তিনি ১৯৫০সালে ভারতের কলকাতায় ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটিজ’ প্রতিষ্ঠা করেন । মানব সেবায় অনন্য অবদানের জন্য ১৯৭৯ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। আর ১৯৮০ সালে পান ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক‘ভারত রত্ন’। মাদার তেরেসাকে বলা হয় ‘লিভিং সেইন্ট’। তিনি ১৯৯৭ সালে কলকাতায় মারা যান।

সরোজিনী নাইডু:

সরোজিনী নাইডু ছিলেন স্বনামধন্য ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিশিষ্ট বাগ্মী এবং ইংরেজি ভাষার যশস্বী কবি । তিনি ভারতীয় কোকিলা বা দ্য নাইটেঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামখ্যাত। তিনি ভারতীয় বংগ্রসের প্রথম মহিলা সভাপতি নির্বাচিত হন। তার জন্ম হায়দরাবাদে । পৈত্রিক নিবাস ছিল বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার কনকসার গ্রামে ।তিনি বিজ্ঞনিী,দার্শনিক অঘোরনাথ চট্ট্রোপাধ্যায় এবং কলি বরদাসুন্দরী দেবীর জ্যৈষ্ঠা কন্যা

ইন্দিরা গান্ধী:

ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৬৬ সালের তিনি ভারতের তৃতীয় এবং ১৯৬৭ সালে চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত । ইন্দিরাগান্ধী ১৯৬৬-৭৭ সাল পর্যন্ত ১৯৮০-৮৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্নক সাহায্য সহযোগিতা করেন । ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর তিনি তার দেহরক্ষী সাতওয়ান্ত সিং এবং বিআন্ট সিং এর গুলিতে হন।

মহাত্না গান্ধী:

মহাত্না গান্ধীর প্রকৃত নাম মোহনদাশ করমচাঁদ গান্ধী। তিনি ভারতে অসহযোগ আন্দোলন, সত্যাগ্রহ আন্দোলন এবং ভারত ছাড় আন্দোলন এর নেতৃত্ব দেন।তাকে ভারতীয় জাতির জনক বলা হয়। কিন্তু কখনো ভারতের কোনো রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত হননি। তার রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থান ঘটে দক্ষিন আফ্রিকায়। তিনি দক্ষিন আফ্রিকায় “Indian Opinion” ( ইন্ডিয়ান অপিনিয়ন ) নামক পত্রিকার সম্পাদনা করতেন । তার আত্নজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘The story of my Experiments with truth’ (মহাত্না) ও Bapuji (বাপুজি) নামে বিশ্বব্যাপী তার পরিচিত ছিল। ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি দিল্লিতে গান্ধীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার হত্যাকারী ছিলেন নাথুরাম গডসে।

রাজীব গান্ধী:

ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী তিনি । ভারতের জন্য অস্ত্র ক্রয়ে সুইডেনের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোফর্স হতে ঘুষ নিয়েছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যা Bofors Scandal (বোফর্স কেলেঙ্গারি) নামে পরিচিত । তিনি শ্রীলংকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারতীয় সৈন্য প্রেরণ করেন । রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী আত্নঘাতী মহিলার নাম থানু বা গায়েত্রী। রাজীব গান্ধীকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত আসামীর নাম নলিনী। রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর বংগ্রেসের সভাপতি নিযুক্ত হন নরসীমা রাও।

দাদাভাই নওরোজি:

দাদাভাই নওরোজি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সারির একজন রাজনীতিবিদ ।১৮৯২ সালের নির্বাচনে মধ্যে ফিসবেরি এলাকা থেকে উদার রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে পার্লামেন্টে নির্বাচিত হন। এশীয়দের মধ্যে তিনি প্রথম বিট্রিশ পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচিত হন। তাকে |Grand old man of India (গ্রান্ড ওন্ড ম্যান অব ইন্ডিয়া) বলা হয়।

এ পিজে আব্দুল কালাম:

এ পিজে আব্দুল কালাম মিসাইলম্যান (Missile Man ) নামে পরিচিত ।তিনি ভারতের একাদশতম রাষ্ট্রপতি ছিলেন ।তার আত্নজীবনী মূলক গ্রন্থের নাম (Wings of Fire) ‘উয়িংস অব ফায়ার’ ।

মনমোহন সিং:

ডঃ মনমোহন সিং ২০০৮ সালের ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০০৯ সালে কংগ্রেসে জয়লায়ের পর তিনি পুনঃনির্বাচিত হন। তিনি ভারতের প্রথম শিখ প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি পেশায় একজন অর্থনীতিবিদ । তাকে ‘Economic reforms in India’ এর স্থপতি বলা হয়।

আন্না হাজারে:

আন্না হাজারে ভারতীয় সংসদে অধিক শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী জন লোকপাল বিল পাশ করানোর জন্য ২০১১ সালে আন্দোলন শুরু করেন। দুর্নীতি দমনের জন্য তিনি ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল দিল্লীর থন্তর মন্তরে আমরন অনশন ধর্মঘট করেন। তাকে সর্মথন জানাতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মেধা পাটকের ও কিরন বেদি এগিয়ে আসেন।

আম আদমি পার্টি:

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতের একটি রাজনৈতিক দল। এর প্রতিষ্ঠাতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দলটি সম্প্রতি দিল্লিতে রাজ্য সরকার গঠন করে।

বাবরি মসজিদ (Babir Mosque):

বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় অবস্থিত। এটি ১৫২৭ সালে মুঘল সম্রাট বাবর নির্মান করেন। ১৯৯২ সালের ৬ডিসেম্বর উগ্রবাদী হিন্দুগোষ্ঠী ঐতিহাসিক এই মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলে। বাবরি মসজিদ ধংসের ঘটনার জন্য লিবার হ্যান (Liberhan)কমিশন গঠিত হয় এবং কমিশনের রিপোর্টে বিজেপি নেতা অটল বিহারী রাজপেয়ী ,লালকৃষ্ণ আবদাভানি, কালয়ান সিং সহ ৬৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তাজমহল (Taj Mahal):

তাজমহল ভারতের আগ্রায় যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত । এটি নির্মান করেন মূঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মান করেন। এর স্থপতি ওস্তাদ আহমদ লাহুরি তবে পারস্যের স্থপতি ওস্তাদ ইসা চত্বরের নকশা করার বিশেষ ভূমিকায় অনেক স্থানে তার নাম পাওয়া যায়।

অজন্তা ও ইলোরা:

অজন্তা ও ইলোরা ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থিত গুহাশিল্পের জন্য বিখ্যাত স্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং- এর ভ্রমন লিপিতে অজন্তার বর্ণনা পাওয়া যায়।

সেভেন সিস্টারস (Seven Sisters):

ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের ৭টি রাজ্যকে একত্রে সেভেন সিস্টারস বলা হয়।

শিলিগুড়ি করিডোর/চিকেন নেক:

ভারতের পশ্চিম বঙ্গে অবস্থিত বাংলাদেশ ও নেপালকে পৃথকখারী একটি করিডোর। এই করিডোরের মাধ্যেমে ভারত উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের ৭টি রাজ্য ( 7 Sisters) ভারতের মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত। এই করিডোরের দৈর্ঘ্য ২১-৪০ কিঃমি।

West Bengal (পশ্চিম বঙ্গ ):

পশ্চিম বঙ্গের রাজধানী কলকাতা। রাজ্যটির আইনসভার নাম বিধান সভা। বিধানসভার মোট সদস্য ২৯৫ জন। জ্যোতি বসু পশ্চিম বঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন । তার পৈত্রিক নিবাস নায়ানগঞ্জের সোনারগাঁয়ে। পশ্চিম বঙ্গের বর্তমান মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার পৈত্রিক নিবাস যশোরে। পশ্চিম বঙ্গের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেবের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ। তিনি কবি সুকান্ত ভট্রাচার্যের ভ্রাতুষ পুত্র।

দোকলাম মালভূমি:

চীন,ভূটান ও ভারতের সিকিম প্রদেশের সংযোগ স্থানে দোকলাম মালভূমির অবস্থান ।এই মালভূমির মালিকানা নিয়ে চীন ও ভুটানের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের । চীন তিন দেশের সীমান্তঘেষা বির্তকিত স্থানের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মান করতে চাচ্ছে যা ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি । তাই ভারত এর বিরোধীতা করছে। ভারত ভুটানের সাথে এমন একটি চুক্তি করেছিল যা মাধ্যেমে ভারত ভুটানের পরারাষ্ট ও প্রতিরক্ষা নীতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

দার্জিলিং:

দার্জিলিং এর পাহাড়ী জেলাটিতে বসবাস করে নেপালি ভাষাভাষি জনগোষ্ঠী । দার্জিলিং পশ্চিম বঙ্গের একটি জেলা ।২০০০ সালে ঝাড়খন্ড ও উত্তরাখন্ড নামে দুইটি নতুন রাজ্য গঠিত হয় ভারতে । পরের বছরই হয় আরো একটি নতুন রাজ্য ছত্রিশগড় ( মধ্য প্রদেশ ভেঙ্গে ) এবং ২০১৪ সালে গঠিত হয় তেলেঙ্গানা রাজ্য ।ফলে গোর্খারাও দীর্ঘাদিন ধরে চাচ্ছে পশ্চিম বঙ্গ হতে আলাদা হয়ে দার্জিলিং ডুয়ার্স এবং শিলিগুড়ির কিছু অংশ নিয়ে পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে । সম্প্রতি ২০১৭ সালে পশ্চিম বঙ্গ সরকার দার্জিলিং এর স্কুল গুলোতে বাংলা ভাষা চাপিয়ে দিতে চাইলে দার্জিলিং জুড়ে হরতাল অবরোধ শুরু হয়। যা ধীরে ধীরে পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে পুনরায় চাঙ্গাকরে তুলেছে।

ISRO:

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতীয় মহাকাশ গবেষনা সংস্থা (ISRO) এক মিশন ১০৪ টি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপন করে রেকর্ড গড়ে। অন্ধপ্রদেশের শ্রীহরি কোটা মহাকাশযান উৎক্ষেপন কেন্দ্র হতে এক রকেটেই কৃত্রিম উপগ্রহ গুলোকে মহাকাশের পাঠানো হয়। ২০১৪ সালে একমিশনে সর্বোচ্চ ৩৭টি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া ।

ব্যারেন:

দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি ব্যারেন। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোট ব্লেয়ারের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ব্যারেন আগ্নেয়গিরিটি থেকে সর্বশেষ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে উদগিরন শুরু হয়।

১১ এপ্রিল -১৯ মে, ২০১৯ ভারতের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিন নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের চতুর্দশ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।

ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (১৪তম)। তিনি ভারতের দ্বিতীয় দলিত রাষ্ট্রপতি। উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(১৫ তম)। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়সঙ্কর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন। ভারতের প্রথম নারী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন।

  • >>>>>

বর্তমানে বায়ুদূষনের শীর্ষ শহর ভারতের দিল্লি।

ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অপরাধীদের কালিপানি বা নির্বাসন দেয়া হত বৃটিশ আমলে ।

ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ।

মহিলা প্রধান রাষ্ট্রপতি প্রতিভা বাতিল ।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু
প্রথম গর্ভনর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ।

মালবার হিল মুম্বাইয়ের জনবহুল এলাকা।

ব্লাকক্যাট- National Security Guard(NSG) এটি ভারতের একটি বিশেষ বাহিনী

টাইগার হিল জম্মু ও কাশ্মীরের কারগিলের অঞ্চলের একটি পবর্ত

নয়াদিল্লীতে অবস্থিত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম নিরাপদ ভবন ।

ভারতের প্রথম মুসলমান প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেন ।
ভারতের রাষ্ট্রপতি বাসভবন ও সরকারি কার্যালয়ের নাম রাইসিনা হিল।

পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টি বহুল অঞ্চল ভারতের চেরাপুঞ্জি (মেঘালয়)

সিকিমকে বলা হয় হিমালয়ের উদ্যান ।এটি ১৯৭৫ সালে ভারতের সাথে একীভূত হয়।

ভারতের প্রথম বাঙ্গালি প্রেসিডেন্ট প্রনব মূর্খাজি এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দু।

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।

প্রথম নারী পররাষ্টমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

গোলযোগপূর্ন অনন্তবার্গ শহরটি কাশ্মীরে।

JKLF সশস্ত্র সংগঠনটি কাশ্মীরে।

বিখ্যাত জয়ললিতা ছিলেন তামিলনাডুর রাজনীতিবিদ ।

দমদম ভারতের বিমান বন্দর ।

এ পিজে আবদুল কামাল মুসলিম ৩য় এবং ১১তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ।

লোক সভার প্রথম মহিলা স্পীকার মীরা কুমার ।

নাথুলা পাস চীন ভারত সীমান্তে।

ভারত পাকিস্থান চালুকৃত ট্রেন সমঝোতা এক্সপ্রেস।

সংকলনঃ মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)  পরীক্ষায় আসার মতো গুরুত্বপূর্ণ গুলো বাছাই করে Important culture গুলো দেয়া …

2 comments

  1. পশ্চিম বঙ্গের বর্তমান মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। তার পৈত্রিক নিবাস যশোরের কেশবপুর উপজেলার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *