বিসিএস প্রিলিমিনারি বাংলাদেশ বিষয়াবলি- বাংলাদেশের বনজ সম্পদ

বিসিএস প্রিলিমিনারি বাংলাদেশ বিষয়াবলি
প্রাকৃতিক সম্পদ (বাংলাদেশের বনজ সম্পদ)

⏺বাংলাদেশের বনজ সম্পদ
?একটি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ২৫% বনভূমি থাকা দরকার।
?ফিনল্যান্ডে তার পরিমাণ ৭৪%,মায়ানমারে ৬৭%, জাপানে ৬৩%, রাশিয়ায় ৫১%,কানাডাতে ৪৫% এবং আমেরিকাতে ৩৪%।কিন্তু সেই তুলনায় বাংলাদেশে তার পরিমাণ অতি নগণ্য যার পরিমান হল মাত্র ১৭%।
?বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৬ লক্ষ হেক্টর বা দেশের মোট ভূমির প্রায় ১৮%, যার ১০% (১৫ লক্ষ হেক্টর) বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

?সরকারি বনভূমির পরিমাণ ১৯৪৭ সালের প্রায় ২০% থেকে ১৯৭১ সালে প্রায় ১৬%-এ হ্রাস পায়; বর্তমানে তা ৫%-এর বেশি হবে না।
?সরকারি বনভূমির ৯০%-এর অধিক উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ১২টি জেলায় বিস্তৃত। বিগত ৫০ বছরে প্রায় ৫০% বনভূমি হ্রাস পাওয়ার ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু বনভূমির পরিমাণ নেমে এসেছে ০.০১৮ হেক্টর-এ, যা ১৯৭০ সালে ছিল ০.০৩৫ হেক্টর, পৃথিবীর সর্বনিম্ন মাথাপিছু বনভূমির পরিমাণগুলির একটি। এসব সরকারি মালিকানাধীন সংরক্ষিত বন ছাড়াও প্রধানত বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী বিভিন্ন বৃক্ষ, বাঁশ, বেত ও নানা ধরনের গুল্মের বসতবাড়ির বন নিয়ে গঠিত প্রায় ১০.৬৯ লক্ষ হেক্টর গ্রামীণ বন রয়েছে।

⏺বাংলাদেশের বনসম্পদের প্রধান শ্রেণিগুলি হচ্ছে: (ক) ম্যানগ্রোভ বন (৬.৭০ লক্ষ হেক্টর), (খ) পাহাড়ি বন (৬.৭০ লক্ষ হেক্টর), (গ) সমতল ভূমির বন (১.২০ লক্ষ হেক্টর), (ঘ) অশ্রেণীকৃত রাষ্ট্রীয় বন (৭ লক্ষ হেক্টর), (ঙ) বসতবাড়ির বন (১০.৬৯ লক্ষ হেক্টর)।

?বিগত তিন দশকে বাংলাদেশে কৃষি, মৎস্যচাষ, ঘরবাড়ি নির্মাণ ও নগরায়ণ কর্মকান্ডে বেদখলের ফলে প্রায় এক লক্ষ হেক্টর বনভূমি হ্রাস পেয়েছে।

?বনভূমির মধ্যে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে চট্টগ্রাম পার্বত্যাঞ্চলীয় বনসমূহে ৪৭% এবং সুন্দরবন ও পটুয়াখালী উপকূলীয় বন মিলে ২৭% রয়েছে।

?দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী ও রংপুর জেলাসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ১%-এরও কম সরকারি বনভূমি রয়েছে।
?পশ্চিমাঞ্চল যেমন যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও বরিশালে রয়েছে ১%-এর সামান্য বেশি। কৃষি খাতের পর বন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম, যা দেশের জিডিপিতে প্রায় ৩% অবদান রাখছে।

⏺সুন্দরবন
এ বন বাংলাদেশের বৃহত্তর খুলনা এবং বরিশাল অঞ্চল জুড়ে রয়েছে।খুলনা,সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশ এ সুন্দরবন জুড়ে রয়েছে। এখানে প্রচুর পরিমাণ সুন্দরী গাছ পাওয়া যায় বলে একে সুন্দর বন বলা হয়।
?এই বন যেহেতু সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত তাই একে স্রোতজ বন বলা হয়। এই বনভূমির আয়তন হল ৬৭৮৬ বর্গ কিলোমিটার (২৬২০ বর্গমাইল) । জোয়ার-ভাঁটা,পর্যাপ্ত উত্তাপ,লবণাক্ত পানির প্রভাব,উর্বর মাটি এবং অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য এই বনভূমি গড়ে উঠেছে।

⏺প্রধান প্রধান গাছপালা
?এই বনভূমির প্রধান প্রধান গাছসমূহ হল সুন্দরী,গরান,গেওয়া,কেওয়া,ধুন্দল, আমুর, গোলপাতা,বালিপাশা ইত্যাদি।

⏺অর্থনৈতিক গুরুত্ব
১. সুন্দরী বৃক্ষের কাঠ বৈদ্যুতিক ও টেলিগ্রাফিক তার তৈরীর কাজে ব্যবহৃত হয়।

২. গেওয়া দিয়ে কাগজ ও দিয়াশলাই তৈরী করা হয়।

৩. এখানে প্রচুর পরিমাণ গোলপাতা পাও্যা যায় যা দিয়ে ঘরের ছাউনি তৈরী করা হয়।

৪. ধুন্দল কাঠ দ্বারা পেন্সিল তৈরী করা হয়।

৫. গরান কাঠ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৬. গরান বৃক্ষের বাকলের রস চামড়া পাকা করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

?চট্টগ্রাম,পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেটের বনাঞ্চল
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এলাকা জুড়ে যেসকল পাহাড়ি এলাকা রয়েছে সেইসকল জায়গাতে রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভিবাজার, সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ এলাকা জুড়ে এ বনাঞ্চল অবস্থিত। এর আয়তন হল ১৫৩২৬ বর্গকিলোমিটার(৫৯২০ বর্গমাইল)।
?এর ভিতর চট্টগ্রামে ৪৪২৭ বর্গমেইল,
পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০৯২ বর্গমাইল ও
সিলেটে ৪০১ বর্গমাইল বিস্তৃত।
?এখানে পরিমিত উত্তাপ এবং পরিমাণমত বৃষ্টিপাতের ফলে এবং বেলে পাথর এবং কর্দমযুক্ত মাটির জন্য এখানে বনভূমি গড়ে উঠেছে। এখানে পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষ পাওয়া যায় বলে একে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বা পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

⏺প্রধান প্রধান গাছ-পালা
গর্জন,গামার,জারুল,শিমুল,কড়ই্‌সেগুন,চাপলিশ,
ময়না,তেলসুর,চম্পা,কদম,জলপাই,ছাতিম,আমলকি, বনজাম,বাঁশ,মধু,বেত,মোম পাওয়া যায়।

⏺অর্থনৈতিক গুরুত্ব
১. চন্দ্রঘেনার রেয়ন কারখানার প্রধান কাঁচামাল বাঁশ এখান থেকে নেওয়া হয়।

২. বাঁশ দিয়ে আসবাবপত্র এবং গৃহাদি নির্মাণ করা হয়।

৩. বেত দ্বারা চেয়ার,টেবিল,শীতল পাটি, মাদুর,চাটাই ইত্যাদি তৈরী হয়।

৪. এ বনভূমির ঘাস ও নলখাগড়া সিলেটের কাগজ ও মণ্ডকলের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৫. গর্জন ও জারুল বৃক্ষ রলওয়ে স্লিপার তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।

৬. এ সকল বনাঞ্চল থেকে রবার গাছ উৎপন্ন হয়।

⏺মধুপুর ও ভাওয়াল বনভূমি
ঢাকা ও ময়মিনসিংহ অঞ্চল নিয়ে এ বনভূমি বিস্তৃত। এর আয়তন ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার(৩৩৮ বর্গমাইল)। এর ভিতর ১৭৬ ময়মিনসিংহে ১৭৬ বর্গকিমি, টাঙ্গাইলে ৪৪০ বর্গকিমি,গাজীপুরে ২৫৯ বর্গকিমি এবং দিনাজপুরে ৩৯ বর্গকিমি।
?এখানে শীতকালে প্রায় সময় পাতা ঝড়ে পড়ে বলে একেপতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি বলা হয়।

?ঢাকা অঞ্চলের বনভূমিকে ভাওয়ালের গড় বলা হয়

?আর ময়মিনসিংহের অংশকে মধুপুর গড় বলা হয়।

?গজার,শাল,ছাতিম,কুচি,কড়ি ইত্যাদি এখানকার প্রধান প্রধাম বৃক্ষ।এইসকল গজারী ও শাল গাছ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়।শাল গাছ বৈদ্যুতিক তারা খুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

⏺দিনাজপুর ও রংপুরের বনভূমি
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে দিনাজপুর এবং রংপুরে এ বৃহৎ বরেন্দ্রভূমি অবস্থিত।এখানে প্রচুর পরিমাণ শাল,গজারী উৎপন্ন হয়।এসকল বৃক্ষের কাঠের সাহায্যে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করা হয়।

?বাংলাদেশে জনপ্রতি বনভুমির পরিমান -০.০১৮ হেক্টর।
⏺বাংলাদেশের বন এলাকা ৪টি অঞ্চলে বিভক্ত
৪টি। যথা- ১। পাহাড়ী বনাঞ্চল ২।ম্যনাগ্রোভ বনাঞ্চল ৩। সমতল এলাকার শাল বনাঞ্চল ৪। গ্রামীন বন।

?পাহাড়ী বনাঞ্চলের আয়তন -১৫,৬৬,৯৩৫ একর।

?ম্যানগ্রোভ বনের আয়তন -১৪,০৫,০০০ একর।

?শাল বনাঞ্চলের আয়তন -২,৮১,৯৫৩ একর।

?বাংলাদেশের মোট আয়তনের অংশ বনাঞ্চল-প্রায় ১৭ শতাংশ।

?বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূম -পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি।

?বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বনভুমি -সুন্দরবন। (একক হিসেবে বৃহত্তম)

?বাংলাদেশের তৃতীয় বনাঞ্চল – মধুপুর জঙ্গল।

?সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ -সুন্দরী।

?কাঠ থেকে বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয়-গেওয়া।

?ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে প্রস্তুত করা হয়-পেন্সিল।

?রং প্রস্তুত করা হয় –গরান গাছের ছাল থেকে

?সবচেয়ে বেশী বৃদ্ধি পায়-বাঁশ জাতীয় গাছ।

?ভাওয়াল বনাঞ্চল অবস্থিত-গাজীপুর জেলায়।

?মধুপুর বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ -শাল বা গজারী।

?সুর্যের কন্যা বলা হয়-তুলা গাছকে।

?দেশের বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়- পার্বত্য বনাঞ্চল।

?বরেন্দ্র ভুমিতে গাছ সবচেয়ে বেশি -শাল গাছ।

?দেশের প্রথম ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন উদ্ধোধন করা হয় -১৭ জানু ২০০১, চন্দ্রনাথ পাহাড়ে।

?সুন্দরবন দুটি দেশে বিস্তৃত-বাংলাদেশ-ভারত।

?বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের নাম-বৈলাম গাছ।

?সুন্দরবনের মোট আয়তন -৬০১৭ বর্গ কি. মি।

?বাংলাদেশের বন গবেষণা কেন্দ্র -চট্টগ্রামে।

?উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনীয় বনাঞ্চলে সৃজন করা হয়েছে -১০টি জেলায়।

?ক্রান্তীয় বনাঞ্চলের প্রধান গাছ হল -শাল বা গজারী।

?পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে গাছটি ক্ষতিকারক -ইউক্লিপটাস।

?দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন মোট ভুমির-২৫ শতাংশ।

?বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভুমির শতাংশ-১৭%।

?বাংলাদেশের জাতীয় বননীতি সালে প্রনীত হয়-১৯৭৯ সালে।

?সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে = UNESCO

?UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে = ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে এবং ৫২২তম

?বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ = ২৫ লক্ষ হেক্টর বা ২৫ হাজার বর্গ কি.মি. (প্রায়)

? বাংলাদেশে মাথাপিছু বনভূমির পরিমান = ০.০২ হেক্টর

?বাংলাদেশে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমির পরিমাণ ২০%-এ উন্নীত করা হবে = ২০১৫ সালে

?FAO-এর মতে বাংলাদেশে মোট ভূমির বনভূমি রয়েছে=> ১০% (প্রায়)

? পাহাড়ি বনাঞ্চলের আয়তন => ১৩,৩৫৫ বর্গ কি.মি. (প্রায়)

?ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের আয়তন => ৭,৪১২ বর্গ কি.মি. (প্রায়)

?শাল বনাঞ্চলের আয়তন => ১,২১৪ বর্গ কি.মি. (প্রায়)

?গ্রামীণ বন এলাকার আয়তন কত?=> ২,৭১১ বর্গ কি.মি.

?একক হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বন => সুন্দরবন

? সুন্দরবনের আয়তন => ৫,৭৪৭ বর্গ কি.মি. বা ৫,৫৭৫ বর্গ কি.মি

?সুন্দরবনের আয়তন => ২,৪০০ বর্গ মাইল

?সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে পড়েছে

?সুন্দরবন বাংলাদেশের ৫টি জেলাকে স্পর্শ করেছে-খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও বরগুনা

?অঞ্চল হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বন=> পাহাড়ি বা পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল

?বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল => মধুপুর বনাঞ্চল

?সুন্দরবনে বেশি পাওয়া যায়=> সুন্দরি, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি

?সুন্দরবনের প্রাণিজ সম্পদ => রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, সাপ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি প্রভৃতি

?সুন্দরি গাছ কত দীর্ঘ হতে পারে=> ৪০ থেকে ৬০ ফুট পর্যন্ত

?বাংলাদেশের ব্যবহৃত ৬০ ভাগ কাঠের সুন্দরবন থেকে আসে

?বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে কোন রাষ্ট্রীয় বনভূমি নেই=> ২৮টি জেলায়

?পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বনভূমি রয়েছে => ৭টি জেলায় যথা: (১) চট্টগ্রাম, (২) রাঙামাটি, (৩) বান্দরবান, (৪) কক্সবাজার, (৫) খুলনা, (৬) বাগেরহাট ও (৭) সাতক্ষীরা

?মধুপুরের বনাঞ্চল অবস্থিত=> গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়

? মধুপুরের বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ => শাল
ভাওয়ালের বনাঞ্চল অবস্থিত=> গাজীপুর জেলায়

? বাংলাদেশের দীর্ঘতম বৃক্ষ => বৈলাম বৃক্ষ (উচ্চতা ২৪০ ফুট প্রায়)

?বৈলাম বৃক্ষ জন্মে=> বান্দরবান বনাঞ্চলে

?বাঁশ জাতীয় গাছ তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায়

?বাংলাদেশে নতুন আমদানি করা হয়েছে=> ইপিল ইপিল ও নীলগুল মোহর জাতীয় গাছ

?পরিবেশ রক্ষায় ক্ষতিকর=> ইউক্লিপটাস

? ‘উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী’ বনাঞ্চল ১২টি জেলায় করা হয়েছে

?বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র চট্টগ্রামে

?গোলপাতা কাজে লাগে=> ঘরের ছাউনি হিসেবে

⏺‘ম্যানগ্রোভ’ => লোনা পানি বা কাদার মধ্যে জেগে থাকা খুঁটির মত এক ধরনের শ্বাস গ্রহণকারী শিকড়বিশিষ্ট গাছকে ‘ম্যানগ্রোভ’ বলে

⏺ম্যানগ্রোভ’ দেখতে পাওয়া যায়?=> সুন্দরবন ও কক্সবাজারের উপকূলীয় জলাভূমিতে

⏺পৃথিবীর বৃহত্তম ‘ম্যানগ্রোভ’ বন => বাংলাদেশের সুন্দরবন

⏺ টাইডাল বন => যে ভূমি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় আবার ভাটায় শুকিয়ে যায় তাকে টাইডাল বা জোয়ার-ভাটার বন বলে

⏺বাংলাদেশের টাইডাল বন অবস্থিত=> খুলনা ও পটুয়াখালী জেলার দক্ষিণাংশ উপকূলীয় বনভূমি ও সুন্দরবন এই শ্রেণীর বৃহত্তম বন,তাছাড়া

⏺কক্সবাজারের চকোরিয়াতেও এই শ্রেণীর বন রয়েছে

⏺সুন্দরবন ছাড়া বাংলাদেশের অন্য টাইডাল বন => সংরক্ষিত চকোরিয়া বনাঞ্চল

⏺পৃথিবীর বিখ্যাত টাইডাল বনভূমি => সুন্দরবন

?চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি বনাঞ্চলে জন্মে=> গর্জন, জারুল, সেগুন, চাপালিস, গামার, বাঁশ প্রভৃতি

?বাংলাদেশের শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত=> ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি

?বিভাগ অনুসারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে => চট্টগ্রাম বিভাগে

?বিভাগ অনুসারে সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে => রাজশাহী বিভাগে

?বর্তমানে দেশে বিভাগ অনুযায়ী বনভূমির পরিমাণ => চট্টগ্রাম বিভাগ ৪৩%, খুলনা বিভাগ ৩৮%, ঢাকা বিভাগ ৭%, সিলেট বিভাগ ৬%, বরিশাল বিভাগ ৩%, রাজশাহী বিভাগ ২%

?পরিবেশ নীতি ঘোষণা করা হয়=> ১৯৯২ সালে

?পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্ব নাম => পরিবেশ দূষণ ও নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর

? বন সংরক্ষণ আইন প্রণীত হয় => বন আইন-১৯৯০ এবং বন আইন-২০০২

? সিলেট বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ => সেগুন, মেহগনি, জারুল ইত্যাদি

?মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের আয়তন=> ৪,১০৫ বর্গ কি.মি.

?বাংলাদেশের রাবার বাগান রয়েছে=> রামু, মধুপুর ও রাউজানে

? গজারী বৃক্ষ স্থায়ীভাবে পরিচিত=> শাল

?সুন্দরবনের মৌয়ালীদের পেশা => মধু সংগ্রহ

?নেপিয়ার’ => এক জাতীয় ঘাস

⏺সুন্দরবনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য=> এটি জাতীয় বন, এটি টাইডাল বন ও একক হিসেবে বৃহত্তম বন

?চিরহরিৎ পাতাঝরা গাছ -যেসব গাছের পাতা এক সঙ্গে ঝরে যায় না এবং পাতাগুলো চির সবুজ থাকে

?চিরহরিৎ পাতাঝরা বনভূমিতে পাতাঝরা গাছ => গামারী, শিমুল, কড়ই, সেগুন, জারুল

?ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন => ক্রান্তীয় অঞ্চলে যে সব গাছের পাতা বছরে একবার সম্পূর্ণ ঝরে যায়

?ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন পাওয়া যায়=> ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, রংপুর ও দিনাজপুর

?ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি ভাগ করা হয়=> দু’ভাগে-মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি

?ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনে পাওয়া যায়=> কড়ই, হিজল, বহেরা, হরিতকি, কাঁঠাল, নিম।

➡সংকলন – মোস্তাফিজার মোস্তাক

 

Check Also

৪১ ও ৪২তম বিসিএস প্রিলিমিনারির তারিখ জানাল পিএসসি

৪১ ও ৪২তম বিসিএস প্রিলিমিনারির তারিখ জানাল পিএসসি

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪১তম ও ৪২তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করেছে। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *