বিসিএস প্রিলিমিনারি বাংলাদেশ বিষয়াবলি – ১৯৭১ সালের বিস্তারিত

বিসিএস প্রিলিমিনারি বাংলাদেশ বিষয়াবলি
১৯৭১ সালের বিস্তারিত

⏺(৭) ১৯৭১ সাল

⏺জানুয়ারি
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
?০৪: আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত এমএনএ এবং এমপিএবৃন্দ রেসকোর্স ময়দানে জনতার সামনে শপথ গ্রহণ করেন। এসময় শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে ৬-দফা ও ১১-দফা প্রশ্নে কোন আপোস হবেনা তবে পশ্চিম পাকিস্তানী নেতৃবৃন্দের সাহায্য চাওয়া হবে।

? ১৫: ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস পালনের জন্য পূর্ব বাংলা বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন ঐদিন পূর্ণ দিবস হরতাল পালনের আহবান করে।

? ৩১: আওয়ামী লীগের সাথে ৩ দিনের আলোচনা শেষে জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় পাকিস্তান টাইম্‌স-কে দেয় এক বিবৃতিতে বলেন যে দু’দলের আলোচনা সাপেক্ষে একটি গ্রহণযোগ্য সংবিধান প্রণয়ন করা হবে।

⏺ফেব্রুয়ারি
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? ০৫: লাহোরে ভারতীয় বিমান অপহরণ এবং ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিব বিবৃতি দেন যে অচিরেই এর সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

? ০৯: জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বানে বিলম্ব হওয়ায় শেখ মুজিব বলেন যে, এটি নিজেদের সরকার থেকে তার জনগণকে বঞ্চিত করার আরেকটি ষড়যন্ত্র।

? ১৪: রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

? ১৫: ভুট্টো বলেন যে, তার দল পাকিস্তান পিপ্‌লস পার্টি জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদান করবেনা। তবে তিনি একটি শর্তারোপ করেন। শেখ মুজিব এই সিদ্ধান্তকে গণতন্ত্রবিরোধী আখ্যা দেন।

? ১৬: পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি নুরুল আমিন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সকলকে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান।

? ২১: বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন এবং বাংলা ছাত্রলীগ ভাষা দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে বিশেষ বিবৃতি দেয়। বাংলা ছাত্রলীগ বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করে। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন তার ১৪-দফা দাবী পেশ করে।

? ২৫: তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিবেচনা করে পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি একটি বিশেষ প্রস্তাব করে।

? ২৮: শেখ মুজিব ভুট্টোকে অধিবেশনে যোগদানের আহ্বান জানান এবং বলেন যে ৬-দফা কারো উপর চাপিয়ে দেয়া হবেনা।

মার্চ
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? ০১: রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। সমগ্র বাংলাদেশে এই ঘোষণার বিরুদ্ধে বিবৃতি প্রচারিত হয়।

? ০২: পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র ধর্মঘট পালিত হয় এবং শেখ মুজিবের নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।

? ০৬: লেঃ জেঃ টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর নিয়োগ করা হয়।

? ০৭: ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ভাষণ দেন যা ৭ই মার্চের ভাষণ নামে খ্যাত। কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি গেরিলা যুদ্ধের আহ্বান করে।

? ০৮: -শেখ মুজিবুর রহমান ১০-দফা দাবী পেশ করেন।
-গেরিলা যুদ্ধের নিয়ম সংক্রান্ত একটি বেনামী লিফলেট প্রচারিত হয়।
– পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪-দফা দাবী পেশ করা হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠনের আহ্বান জানানো হয়।

? ০৯: – মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এক জনসভায় বলেন, “পূর্ব পাকিস্তানের আজাদী রক্ষা ও মুক্তি সংগ্রামে ঝাপাইয়া পড়ুন”।তিনি তার ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নিয়ে শেখ মুজিবের সাথে আন্দোলন করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
-টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

? ১৪: ভুট্টো দুই সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের আহ্বান জানান।

? ১৭: মুজিব-ইয়াহিয়া দ্বিতীয় দফা বৈঠক শেষে শেখ মুজিব বলেন যে, আন্দোলন চলবে।

? ১৯: জয়দেবপুরের রাজবাড়িতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি ব্যাটালিয়নকে নীরস্ত্র করার পশ্চিম পাকিস্তানী প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করে দেয় বাঙালি সৈন্যরা।

? ২০: উপদেষ্টাসহ মুজিব-ইয়াহিয়া চতুর্থ দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

? ২১: ইয়াহিয়ার সাথে আলোচনার উদ্দেশ্যে ভুট্টো ঢাকায় আসেন।

? ২২: ইয়াহিয় ২৫ মার্চ আহূত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।

? ২৩: পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন পতাকা উত্তোলন করা হয়। এই দিনটি বাংলাদেশে জাতীয় পতাকা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

? ২৫: পাকিস্তান সেনাবাহিনী রাতের অন্ধকারে সমগ্র ঘুমন্ত ও নীরস্ত্র বাঙালিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে ব্যাপক গণহত্যা চালায় যা অপারেশন সার্চলাইট হিসেবে পরিচিত।

? ২৬: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র হতে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়।

? ২৭: কালুরঘাটে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

? ৩০: পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশের গণহত্যা রোধে এগিয়ে আসার জন্য জাতিসংঘ এ বৃহৎ শক্তিবর্গের প্রতি মেজর জিয়াউর রহমান আহ্বান জানান।

? ৩১: কুষ্টিয়া প্রতিরোধ শুরু।

⏺এপ্রিল
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? এপ্রিল ২: জিঞ্জিরা গণহত্যা.

? এপ্রিল ৬: ব্লাড টেলিগ্রাম

? এপ্রিল ১১: নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের রেডিও ভাষণ।

? এপ্রিল ১০: মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।

? এপ্রিল ১২: এম এ জি ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হন .

? এপ্রিল ১৭: অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে বৈদ্যনাথতলায় (যা এখন মুজিবনগর নামে পরিচিত) ।
? এপ্রিল ১৮: দরুইনের যুদ্ধে সিপাহী মোস্তফা কামাল ও রাঙ্গামাটি-মহালছড়ির যুদ্ধে ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ শহীদ হন।

? এপ্রিল ২৪: অনাবাসী বাংলাদেশীরা যুক্তরাজ্যের কভেন্ট্রি-তে বাংলাদেশ একশন কমিটি প্রতিষ্ঠা করেন।

? এপ্রিল ২৮: বিশ্ববাসীর কাছে তাজউদ্দিনের অস্ত্র সাহায্য প্রার্থনা

⏺মে
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? মে ৫: গোপালপুর গণহত্যা

? মে ১৫: মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতীয় বাহিনীর সহযোগিতা শুরু।

? মে ২০: খুলনায় চুকনগর গণহত্যা সংঘটিত হয়, যেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রায় ১০ হাজার মানুষকে হত্যা করে।

? মে ২৪: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কলকাতায় কাজ শুরু করে।

⏺জুলাই
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
?জুলাই ১১ঃ মুক্তিবাহিনী গঠন
? জুলাই ১১-১৭: সেক্টর কমান্ডার সম্মেলন, ১৯৭১.

⏺অগাস্ট
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? অগাস্ট ১: নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে The Concert for Bangladesh, George Harrison এবং তাঁর বন্ধুদের অংশগ্রহণে।

? অগাস্ট ১৬: অপারেশন জ্যাকপট, বাংলাদেশি নৌ-কমান্ডো অভিযানে পাকিস্তানি জাহাজ ধ্বংস।

? অগাস্ট ২০: ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (সামরিক বিমানচালক)’ একটি যুদ্ধবিমান দখল করে পাকিস্তান ত্যাগের ব্যর্থ চেষ্টা করেন।.

? অগাস্ট ৩০: ঢাকা গেরিলাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান।.

⏺সেপ্টেম্বর
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? সেপ্টেম্বর ৫: গোয়াহাটির যুদ্ধে নূর মোহাম্মদ শেখ শহীদ হন।

? সেপ্টেম্বর ২৮: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পত্তন।

⏺অক্টোবর
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? অক্টোবর ১৩: ঢাকার গেরালা যোদ্ধারা পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আব্দুল মোনেম খানকে হত্যা করেন.

? অক্টোবর ২৮: ধলাই সীমান্তফাঁড়ির যুদ্ধ, শ্রীমঙ্গল।

? অক্টোবর ৩১ নভেম্বর ৩: ধলাইয়ের যুদ্ধ: পাকিস্তানের সীমান্ত হতে শেলিং বন্ধ করতে ত্রিপুরা হতে পূর্ব পাকিস্তানে ভারতের আক্রমণ।

⏺নভেম্বর
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? নভেম্বর ৯:ছয়টি ছোট যুদ্ধ জাহাজের সমন্বয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম যুদ্ধবহর যাত্রা শুরু করে .
? নভেম্বর ১৬: আজমিরিগঞ্জ যুদ্ধ, মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মধ্যে ১৮ ঘণ্টাব্যাপী যুদ্ধ। খ্যাতনামা মুক্তিযোদ্ধা জগজ্জ্যোতি দাস এ যুদ্ধে শহীদ হন।

? নভেম্বর ২০ থেকে নভেম্বর ২১: গরীবপুরের যুদ্ধ: [বয়রা]]য় ভারতীয় হামলা বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করে

? নভেম্বর ২১: মিত্রবাহিনী, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনী গঠিত হয়।

? নভেম্বর ২২ – ডিসেম্বর ১৩, খণ্ড খণ্ড যুদ্ধ

? ডিসেম্বর ১৬: হিলি যুদ্ধ: বগুড়ায় মিত্রবাহিনীর হামলা।

⏺ডিসেম্বর
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
? ডিসেম্বর ৩: ভারতের ওপর পাকিস্তানের বিমান হামলা যার ফলে ভারত পাকিস্তানের ওপর যুদ্ধ ঘোষণা করে।

? ডিসেম্বর ৪ to ডিসেম্বর ৬: বসন্তরের যুদ্ধ: ভারত জয়সলমিরে পাকিস্তানের হামলা প্রতিরোধ করে।

? Dec ৫ to Dec ৬: Battle of Longewala: Indians attack and take over Pakistani territory opposite Jammu

? ডিসেম্বর ৪ Operation Trident (Indo-Pakistani War): Indian naval attack on Karachi

? ডিসেম্বর ৬: India becomes the first country to recognize Bangladesh. Swadhin Bangla Betar Kendra becomes Bangladesh Betar.

? ডিসেম্বর ৭: যশোর, সিলেট ও মৌলভী বাজার মুক্ত হয়।

? ডিসেম্বর ৮ night: অপারেশন পাইথন: করাচীতে ভারতীয় নৌবাহিনীর আক্রমণ।

? ডিসেম্বর ৯: কুষ্টিয়ার যুদ্ধ: Indian attack from West Bengal into East Pakistan.
Chandpur and Daudkandi liberated.

? ডিসেম্বর ১০: Liberation of Laksham. Two Bangladeshi ships sunk mistakenly by Indian air attack.

? ডিসেম্বর ১১: Liberation of Hilli, Mymenshingh, Kushtia and Noakhali. USS Enterprise is deployed by the USA in the Bay of Bengal to intimidate Indian Navy.

? ডিসেম্বর ১৩: Soviet Navy deploys a group of ship to counter USS Enterprise.

? ডিসেম্বর ১৪: Selective genocide of nationalist intellectuals. Liberation of Bogra.

? ডিসেম্বর ১৬: Pakistan Army surrenders to Mitro Bahini represented by Jagjit Singh Aurora of the Indian Army faction of the military coalition.
Freedom of Bangladeshi people.

? ডিসেম্বর ২২: প্রবাসী অস্থায়ী সরকারের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন।

⏺১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা আমরা সবাই জানি। জানি আমাদের মুক্তির কথা, স্বাধীনতার কথা। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ, মানে সে সময়ের পূর্ব পাকিস্তানকে যে কতগুলো সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল, তাও জানো নিশ্চয়ই। যুদ্ধ করার জন্য পুরো দেশটাকে ১১টা ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এগুলোই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর।

কোন জেলা নিয়ে কোন কোন সেক্টর গঠিত হয়েছিল এবং কারা ছিলেন কমান্ডার।
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
⏺সেক্টর ১
ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও ফেনী পর্যন্ত ছিল সেক্টর ।১-মেজর জিয়াউর রহমান (১০ এপ্রিল,১৯৭১-২৫ জুন,১৯৭১), ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম (২৮ জুন,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

⏺সেক্টর ২
ঢাকা, ফরিদপুরের কিছু অংশ, নোয়াখালী ও কুমিল্লা নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেক্টর ২-মেজর খালেদ মোশাররফ (১০ এপ্রিল,১৯৭১-২২ সেপ্টেম্বর,১৯৭১), মেজর এ.টি.এম. হায়দার(২২ সেপ্টেম্বর,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

⏺সেক্টর ৩
ঢাকার কিছু অংশ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লা ছিল সেক্টর ৩ এর আওতায়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর নুরুল্লাহ।

⏺সেক্টর ৪
সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেক্টর ৪-মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত (১০ এপ্রিল,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

⏺সেক্টর ৫
সেক্টর ৫ গঠিত হয় সিলেট জেলার অংশ বিশেষ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে। মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।

⏺সেক্টর ৬
রংপুর ও দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ৬-মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার (১০ এপ্রিল,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

⏺সেক্টর ৭
দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও রংপুরের কিছু অংশ ছিল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কাজী নুরুজ্জামান।

⏺সেক্টর ৮
কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল সেক্টর ৭ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এম এ মঞ্জুর।

⏺সেক্টর ৯
খুলনার কিছু অংশ, বরিশাল ও পটুয়াখালী নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ৯-মেজর এম এ জলিল (১০ এপ্রিল,১৯৭১-২৪ ডিসেম্বর,১৯৭১), মেজর জয়নুল আবেদীন(২৪ ডিসেম্বর,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

⏺সেক্টর ১০
এ সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন। এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।

⏺সেক্টর ১১
কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় সেক্টর ১১। মেজর জিয়াউর রহমান (২৬ জুন,১৯৭১-১০ অক্টোবর,১৯৭১), মেজর আবু তাহের (১০ অক্টোবর,১৯৭১-২ নভেম্বর,১৯৭১), ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট এম হামিদুল্লাহ খান (২ নভেম্বর,১৯৭১-১৪ ফেব্রুয়ারি,১৯৭২)

➡সংকলন – মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)  পরীক্ষায় আসার মতো গুরুত্বপূর্ণ গুলো বাছাই করে Important culture গুলো দেয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *