প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার বাংলা প্রস্তুতি-বিরাম চিহ্ন

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার বাংলা প্রস্তুতি
বিরাম চিহ্ন

⏺️বিরাম চিহ্নের সংজ্ঞা:
বাক্যের বিভিন্ন ভাব সার্থকভাবে প্রকাশের জন্যে কণ্ঠস্বরের ভঙ্গির তারতম্য বোঝাতে বর্ণের অতিরিক্ত যে-সব চিহ্ন ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে বলে বিরাম (Punctuation) চিহ্ন।

⏺️১.কমা-
বাংলায় কোনো কিছু লিখতে গিয়ে যত ধরণের বিরাম চিহ্ন আমারা ব্যবহার করি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি কমা (,) । অর্থাৎ বাক্যটি যদি বড়ো হয় তা হলে দম নেয়ার জন্যে থামার দরকার পড়তে পারে, বক্তব্য একাধিক হলে স্পষ্টতা আনার জন্য থেমে-থেমে পড়তে হতে পারে , সর্বোপরি অল্পক্ষণ বিরামের জন্যে কমার ব্যবহার হয় । এখানে ‘এক’ উচ্চারণ করার সমান সময় থামতে হয় ।
?বাক্যে একই পদের একাধিক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে তাদের মধ্যবর্তী একটি বা একাধিক কমা ব্যবহার করে এক জাতীয় পদকে পৃথক করা হয়। কমা বসে দুই বা ততোধিক পদ, পদগুচ্ছ বা বাক্যাংশে । যেমন –
?বিশেষ্য পদ : সালাম, বরকত, রফিক , জব্বার।
সর্বনাম পদ : সে, তুমি , আমি : আমরা ।
ক্রিয়া পদ : এলাম, দেখলাম , জয় করলাম (সিজার জুলিয়াস)

?এক জাতীয় একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে কমা প্রয়োগে তাদের আলাদা করতে হয়।
যেমন – সে ক্লাসে ঢুকল, বই নিল, ব্যাগে রাখল, তারপর বেরিয়ে গেল।
?সম্বোধনের পর কমা বসে । যেমন – ছাত্ররা, মনোযোগ দিয়ে শোন।
?নামের শেষে ডিগ্রি থাকলে কমা বসে। যেমন- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এম.এ , পিএইচ.ডি।
?উদ্ধৃতিচিহ্নের আগে কমা বসে । যেমন – ভিটগেনস্টেইন (বারট্রেন্ড রাসেল এর শিষ্য) মৃত্যুর আগে বলেছিলেন, “আমি এক অসাধারণ জীবন-যাপন করেছি।”

⏺️২.সেমিকোলন-চিহ্ন ( ; )
সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ হচ্ছে বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত এক ধরণের বাক্যান্তগত চিহ্ন। মনোভাব প্রকাশের বেলায় একটা ভাব একটিমাত্র বাক্যে শেষ হয়ে সন্নিহিত ভাবের নতুন বাক্য শুরু করতে চাইলে একটু বেশি থামতে হয়। সেমিকোলন বিরামের অনুপাত কমার (,) দ্বিগুণ।

?একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন- তিনি শুধু তামাশা দেখিতেছিলেন; কোথাকার জল কোথায় গিয়া পড়ে।
?দুটি বা তিনটি বাক্য সংযোজক অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত না হলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন – আগে পাঠ্য বই পড়; পরে গল্প-উপন্যাস ।
?সেজন্যে , তবু তথাপি , সুতরাং ইত্যাদি যে-সব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে তাদের আগে বা দুটি সন্নিহিত হলে সেমিকোলন বসে। যেমন – সে ফেল করেছে; সেজন্য সে মুখ দেখায় না। মনোযোগ দিয়ে পড়; তাহলেই পাশ করবে।

⏺️৩.দাঁড়ি-
বাক্য সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেলে দাঁড়ি বসে। বাক্যের সমাপ্তি এবং নতুন বাক্যের সূচনা নির্দেশ করে দাঁড়ি। দীর্ঘতম বিরামের প্রতিরুপ হয় দাঁড়ি। যেখানে একটি পূর্ণবাক্য বা প্রসঙ্গ শেষ হয় সেখানে দাঁড়ি বসে। দাঁড়ি চিহ্নের বিরামের (থামার) সময় ১ সেকেন্ড।

⏺️৪.প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?)
*বাক্যের মধ্যে সোজাসুজি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হলে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন- তোমার নাম কী ? তুমি সেখানে যাবে ?
?সন্দেহ বোঝাতে বাক্যের মধ্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। যেমন- এটা তোমার বই? ঠিক তো ?

⏺️৫.বিস্ময়চিহ্ন (!)
অবাক বা বিস্ময়ের ব্যাপার বোঝাতে প্রধানত বাক্যের শেষে বসে। যেমন – অবাক কান্ড ! ‍ঠিক আধ মিনিট আগে পকেটে টাকা ছিল, এখন নেই । অবিশ্বাস্য হাতসাফাই !
?আবেদন , ভর্তি, হতাশা, আনন্দ ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের ক্ষেত্রেও বিস্ময়চিহ্ন বসে ।
?কোন বাক্যে বন্ধনীর মধ্যে , প্রয়োজন হলে বিস্ময় চিহ্ন বসে।

⏺️৬.উদ্ধৃতিচিহ্ন ( ‘-’ অথবা “-”)
ইংরেজীতে একে কোটেশন মার্ক বলে। ইংরেজী ভাষা থেকেই এদের আমদানি করা হয়েছে , কারণ বাংলায় এ-ধরণের চিহ্ন ছিল না। একে উদ্ধৃতিচিহ্ন বা উদ্ধারচিহ্ন বলে , বাংলাতে।
?অন্যের কথা উদ্ধৃত করতে হলে কিংবা কোনো কথায় পাঠকের দাবি করতে হলে উদ্ধৃতিচিহ্নের প্রয়োজন পড়ে।
?উদ্ধতিচিহ্ন দু রকমের হয়ে থাকে : এক-উদ্ধতি ( ‘ ) বা সিঙ্গল কোটেশন এবং জোড় বা দুই উদ্ধৃতি ( “ ) বা ডাবল কোট্ ।

⏺️৭.এক-উদ্ধতি ( ‘ ’) বা সিঙ্গেল কোট্ :
?কথোপকথন ও সংলাপে উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন – পা টিপে টিপে দুপুরবেলা উকিলউদ্দিন এসে হাজির।
?নির্দিষ্ট শব্দে মনোযোগ আকর্ষণের জন্যে উদ্ধৃতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন – তার নাম ছিল লালু। হিন্দিতে ‘লাল’ শব্দটার অর্থ হচ্ছে ‘প্রিয়’ । সে সকলের প্রিয় ছিল ।

⏺️৮.জোড় উদ্ধৃতি ( “ ”) বা ডাবল কোট্
?যেখানে কেবল এক ধরণের উদ্ধৃতিচিহ্নের-ই প্রয়োজন বা দরকার সেখানে এক-উদ্ধৃতিচিহ্ন বা জোড়-উদ্ধৃতিচিহ্ন যেকোন একটি ব্যবহার করলেই চলে। কিন্তু যেসব ক্ষেত্রে দু-জাতীয় উদ্ধৃতিচিহ্ন-ই দরকার পড়ে সে-সব জায়গায় দু-একটি নিয়ম অনুসরণ না করলে চলে না।
নিচের উদাহরণ থেকে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করা যাক।
উদাহরণ ১.এই “ভারতবর্ষ” কাগজেই অনেক দিন আগে ডাক্তার শ্রীযুক্ত নরেশবাবু বলিয়াছিলেন ‘না জানিয়া শাস্ত্রের দোহাই দিয়ো না।’
উদাহরণ ২.হৈম ব্যথিত হইয়া প্রশ্ন করিল “কেহ যদি বয়স জিজ্ঞাসা করে কী বলিব “ বাবা বলিলেন, “মিথ্যা বলিবার দরকার নাই, তুমি বলিয়ো, ‘আমি জানি না – আমার শাশুড়ি জানেন’।”
?এক জনের বক্তব্যের ভিতরে যদি ভিন্ন বক্তব্য উদ্ধৃত হয় তা হলে প্রধান বক্তব্যের ক্ষেত্রে জোড়-উদ্ধৃতিচিহ্ন এবং তার অন্তর্গত উদ্ধৃতিতে এক-উদ্ধৃতিচিহ্নে লাগবে। (দ্র: উদাহরণ ২)

⏺️৯.কোলন ( : )
বাংলায় কোলন চিহ্নের ব্যবহার খুব বেশি দিনের নয়, বড়জোর ৫০-৬০ বছরের। আগে যে সব ক্ষেত্রে ড্যাশ বা কোলন ড্যাশ দেওয়া হত , আজকাল সে-সব ক্ষেত্রে কোলন ব্যবহৃত হয়। লক্ষ করা দরকার, কোলন কখনোই দেখতে বিসর্গ (ঃ)-এর
মত নয়; কোলনের মাঝখানে কোনো ফাঁক নেই।
বাক্যে কোনো প্রসঙ্গ অবতারণার আগে কোলন বসে। যেমন- শপথ নিলাম: জয় করবো ।
?কোনো বিবৃতিকে সম্পুর্ণ করতে দৃষ্টান্ত দিতে হলে কোলন ব্যবহার করা হয় । যেমন- পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ও ক্রিয়া ।?উদাহরণ, তালিকা , ব্যাখ্যা , বিশদ মন্তব্যর আগে কোলন বসে। যেমন – বাড়িতে যে সব জিনিস নিতে হবে : আম, চাল, ডাল , তেল ও দুই গজ সাদা সুতি কাপড়।
?কটা বেজে কত মিনিট তা সংখ্যায় প্রকাশ করতে – ৮:২০; ১১:৪৫ …
?চিঠিপত্র ও বিভিন্ন রকমের ফরমে ভুক্তি, উপভুক্তির পরে কোলন বসে। যেমন – নাম: , পিতার নাম: , বিষয়:, ঠিকানা: ,
তারিখ …
?গণিতে অনুপাত বোঝাতে কোলন বসে । যেমন- ফেলের হার ৩:৮৯।
?প্রশ্ন রচনায় কোলন বসে। যেমন – টীকা লেখ: । ব্যাখ্যা লেখ:।

⏺️ইলেক বা লোপ চিহ্নঃ

কোন বর্ণ লোপ করে বা বাদ দিয়ে সংক্ষিপ্ত উচ্চারণ বোঝাতে ইলেক বা লোপ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। কবিতা বা অন্যান্য সাহিত্যে এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

যেমন- মাথার ’পরে জ্বলছে রবি। (’পরে= ওপরে)

পাগড়ি বাঁধা যাচ্ছে কা’রা? (কা’রা=কাহারা)

⏺️ব্র্যাকেট বা বন্ধনী চিহ্ন (), {}, [] ঃ

গনিতশাস্ত্রে এই তিন্টির আলাদা গুরচত্ব থাকলেও ভাষার ক্ষেত্রে এদের আলাদা কোন গুরচত্ব নেই। তবে সাহিত্যে ও রচনায় ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য প্রথম বন্ধনী ব্যবহার করা হয়।

যেমন-১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর রম্নার রেস্কোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) পাকিস্তান

বাংলাদেশের কাছে পরাজয় মেনে দলিলে স্বাক্ষর।

⏺️ব্যাকরণিক চিহ্নঃ

বিরাম চিন্নের বাইরেও বাংলা ভাষায় কিছু চিহ্নের ব্যবহার আছে। এগুলো দিয়ে কোন বিরতি বা ছেদ বোঝানো হয় না। এগুলো ব্যাকরণের কতোগুলো টার্মস বোঝায়। ব্যাকরণের বিভিন্ন তথ্য বা টার্মস বোঝাতে যেই চিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই ব্যাকরণিক চিহ্ন।

⏺️বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ব্যাকরণিক চিহ্ন হল-

চিহ্নঃ √ বোঝায়ঃ ধাতু

উদাহরণঃ √স্থা = স্থা ধাতু

চিহ্নঃ < বোঝায়ঃ পরবর্তী শব্দ হতে উৎপন্ন

উদাহরণঃ জাঁদরেল < জেনারেল

চিহ্নঃ > বোঝায়ঃ পূর্ববর্তী শব্দ হতে উৎপন্ন

উদাহরণঃ গঙ্গা > গাঙ

চিহ্ন = বোঝায়ঃ সমানবাচক বা সমস্তবাচক

উদাহরণঃ নর ও নারী = নরনারী

⏺️যতি চিহ্নের নাম ➖আকৃতি➖বিরতির পরিমাণ

কমা ➖( , ) ➖ ১ বলতে যে সময় লাগে

দাঁড়ি/ পূর্ণচ্ছেদ ➖ ( । ) ➖ এক সেকেন্ড

জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নসূচক চিহ্ন➖ ( ?) ➖এক সেকেন্ড

বিস্ময়সূচক চিহ্ন ➖ ( ! ) ➖ এক সেকেন্ড

ড্যাস ➖ ( – ) ➖ এক সেকেন্ড

কোলন ড্যাস ➖ ( :- ) ➖ এক সেকেন্ড

কোলন ➖ ( : ) ➖ এক সেকেন্ড

সেমি কোলন ➖ ( ; ) ➖ ১ বলার দ্বিগুণ সময়

উদ্ধরণ বা উদ্ধৃতি চিহ্ন ➖( ‘ ’/ ‘‘ ’’ )➖এক সেকেন্ড

হাইফেন ➖ ( – ) ➖ থামার প্রয়োজন নেই

ইলেক বা লোপ চিহ্ন➖( ’ ) ➖থামার প্রয়োজন নেই

বন্ধনী চিহ্ন ➖ () ➖ থামার প্রয়োজন নেই

⏺️ব্যবহার
প্রশ্ন: লেখার সময় বিশ্রামের জন্য আমরা যে চিহ্ন ব্যবহার করি, তাকে কী বলে?
উ: বিরাম চিহ্ন।

প্রশ্ন: ‘বিরাম চিহ্ন’ এর আরেক নাম কী?
উ: যতি চিহ্ন বা ছেদ চিহ্ন।

প্রশ্ন: দুটি বাক্যের মধ্যে অর্থের সম্পর্ক থাকলে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
উ: সেমিকোলন। যেমন- লােকটি ধনী; কিন্তু কৃপণ।

প্রশ্ন: একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য আরেকটি বাক্য অবতারণা করতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
উঃ কোলন চিহ্ন। যেমন- সভায় সিদ্ধান্ত হলাে : তিন মাস পর সবাই বাড়তি চাদা দিবে।

প্রশ্ন: দুটি পদের সংযোেগ স্থলে কী বসে?
উ: হাইফেন চিহ্ন। যেমন- মা-বাবা, ভাই-বােন।

প্রশ্ন: সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলােকে বিচ্ছিন্ন করে দেখানাের জন্য কোন বিরামচিহ্ন বসে?
উ: হাইফেন চিহ্ন। যেমন – জলে-স্থলে, হাতে-কলমে।

প্রশ্ন: সমজাতীয় একাধিক পদ পরপর থাকলে কোন চিহ্ন বসে?
উঃ কমা বসে। যেমন- সে একজন মেধাবী, সৎ ও পরােপকারী।

প্রশ্ন: বাড়ি বা রাস্তার নামের পরে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
উ: কমা বসে। যেমন- ৩৮, বাংলাবাজার, ঢাকা ১১০০।

প্রশ্ন: সম্বোধনের পরে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
উ: কমা বসে। যেমন- বন্ধু, তুমি কি আজ ফিরবে?

প্রশ্ন: হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে কোন চিহ্ন বসে?
উঃ বিস্ময় বা আশ্চার্যবােধক চিহ্ন। যেমন- আহা। কী আনন্দ আকাশে- বাতাসে।

প্রশ্ন: ইলেক বা লােপ চিহ্ন কখন ব্যবহৃত হয়?
উঃ বর্ণের বিলুপ্তির জন্য – যেমন- দু’টি। এখানে, ‘দুইটি কথাটির ‘ই’ বর্ণটি বাদ দিতে ইলেক বা লােপ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন: শব্দের সংক্ষিপ্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
উ: বিন্দু। যেমন- ড. মাে. কামাল হােসেন।

প্রশ্ন: কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়ােজন হলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
উ: সেমিকোলন।

প্রশ্ন: বাক্যে কখন দাঁড়ি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
উ: বাক্যের পূর্ণছেদ বােঝাতে।

প্রশ্ন: প্রথম বন্ধনী সাহিত্যে কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
উঃ ব্যাখ্যামূলক কোনাে কিছু বােঝানাের জন্য।

প্রশ্ন: উদ্ধৃতি চিহ্ন কত প্রকার।
উ: ২ প্রকার। যথা- একক বা সিঙ্গেল উদ্ধৃতি চিহ্ন (‘) এবং দুই বা ডাবল উদ্ধৃতি চিহ্ন (“)। বক্তার বক্তব্য সরাসরি তুলে ধরতে দুই বা ডাবল উদ্ধৃতি চিহ্ন ( “) ব্যবহৃত হয় এবং বাকি সব ক্ষেত্রে বর্তমানে দুই বা ডাবল উদ্ধৃতি চিহ্ন এর পরিবর্তে একক বা সিঙ্গেল উদ্ধৃতি চিহ্ন (‘) বসে।
যেমন- কামাল বলল, “তােমাকে আমার সঙ্গে একবার যেতে হবে”। ‘বর্ণ হলাে ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক।
➡️সংকলন – মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার বাংলা প্রস্তুতি-বাচ্য

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার বাংলা প্রস্তুতি বাচ্য বাচ্য: বাক্যের বিভিন্ন ধরনের প্রকাশ ভঙ্গিকে বলা হয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *