ধাতু ও অধাতু

ধাতু ও অধাতু

ধাতু:

যে মৌল সাধারণ অবস্থায় কঠিন, উজ্জ্বল ও চক্চকে, ওজনে ভারী, যাকে আঘাত করলে ধাতব শব্দ উৎপন্ন হয়, যা সাধারণত তাপ ও তড়িতের সুপরিবাহী এবং যা সর্বদা ধনাত্মক তড়িৎধর্মী তাদের ধাতু বলে। যেমন : সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, তামা (কপার), লোহা (আয়রণ), অ্যালুমিনিয়াম, রুপা (সিলভার), সোনা (গোল্ড), দস্তা (জিঙ্ক), টিন ইত্যাদি।

ধাতু সম্পর্কিত কিছু তথ্য

১. প্রকৃতিতে প্রাপ্ত মৌলের মধ্যে ধাতু- ৭০টি।

২. সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

৩. সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম

৪. কোন ধর্মের জন্যে ধাতুকে পাতলা পাতে পরিণত করা যায় – ঘাতসহতা।

৫. কোন ধর্মের জন্যে ধাতুকে সরু তারে পরিণত করা যায়- নমনীয়তা।

৬. কোন ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বেশি- রুপা।

৭. সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু পটাসিয়াম।

৮. আঘাত করলে শব্দ হয় না- অ্যান্টিমনি।

৯. গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম পারদ।

১০. সবচেয়ে ভারী তরল- পারদ।

১১. তাড়াতাড়ি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়- দস্তা।

১২. পানিতে ভাসে সোডিয়াম।

১৩. যে ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় পাওয়া যায় পারদ।

১৪. পৃথিবী তৈরির প্রধান উপাদান হলো সিলিকন।

১৫. ভূত্বকের প্রধান উপাদান হলো- অক্সিজেন।

১৬. ভূপৃষ্ঠে যে ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়- অ্যালুমিনিয়াম।

অধাতু :

যে মৌল সাধারণ অবস্থায় তরল বা গ্যাসীয়, উজ্জ্বল বা চকচকে নয়, ওজনে হালকা, গঠনে ভঙ্গুর, যাকে আঘাত করলে শব্দ উৎপন্ন হয় না, যা সাধারণত তাপ ও তড়িতের কুপরিবাহী এবং যা সর্বদা ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী, তাদের অধাতু বলে। যেমন: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ক্লোরিন, সালফার (গন্ধক), কার্বন, ফসফরাস ইত্যাদি।

অধাতু সম্পর্কিত কিছু তথ্য

১. প্রাকৃতিক মৌলের মধ্যে অধাতু- ১৯টি।

২. সবচেয়ে সক্রিয় অধাতু- ফ্লোরিন।

৩. কোনটি বিজারক অধাতু- কার্বন।

৪. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী অধাতু- গ্রাফাইট।

৫. যে অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় পাওয়া যায়- ব্রোমিন।

নোটঃ মোস্তাফিজার মোস্তাক

Check Also

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)

বিভিন্ন প্রকার কালচার (চাষ)  পরীক্ষায় আসার মতো গুরুত্বপূর্ণ গুলো বাছাই করে Important culture গুলো দেয়া …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *