খোলার ৬০ দিন পর এসএসসি, ৮৪ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ৬০ কর্মদিবস পরে শুরু হতে পার চলতি বছরের এসএসসি ও ৮৪ কর্মদিবস পরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরআগে পরীক্ষা দুটোর সিলেবাস প্রকাশ করা হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি।

বুধবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপুমনির সভাপতিত্বে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন এমন কয়েকটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য এনসিটিবির যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করেছিলো তা নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি শিক্ষামন্ত্রী। অভিভাবকদের পক্ষ থেকেও আপত্তি জানিয়ে বলা হয়, সিলেবাস বড় হয়ে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিলেবাস ছোট করে প্রণয়নের জন্য এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র সাহাকে নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

সেই সিদ্ধান্তের আলোকে বুধবার শিক্ষামন্ত্রী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেনসহ ঊর্ধ্বতনরা পৌঁছে যান এনসটিবিতে। সেই সভাতেই সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করে ৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। নতুন সিলেবাসে বিষয়ওয়ারি কি কি অধ্যায় কমবে-এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, চলতি বছর যারা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে তারা পাঠ্যবইয়ের বেশিরভাগ অংশ ২০১৯ সালে পড়েছে।

২০২০ সালের প্রথম তিন মাসও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান পেয়েছে। বাকী যে ৮/৯ মাসের পাঠদান হয়নি এবং তাতে যে শুন্যতার সৃষ্টি হয়েছে সেই শিখনফলের শুন্যতা ধরে নতুন করে সিলেবাস প্রণয়ন করা হবে। অর্থাৎ ৬০ এবং ৮৪ দিনের উপযোগী সিলেবাস পড়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসতে হবে।

এনসিটিবির আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন করে সিলেবাস প্রণয়নের জন্য বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিশেষজ্ঞদের তালিকা তৈরি হয়ে যাবে। তারপর তাদেরকে চিঠি পাঠিয়ে এনসিটিবিতে আনা হবে এবং সেখানেই নতুন সিলেবাস প্রণয়ন করা হবে।

আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, বুধবারের সভায় মাধ্যমিক পরীক্ষার যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছিল সেটিও বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহাসহ এনসিটিবি কারিকুলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা।

সূত্র: দৈনিক শিক্ষা।

Check Also

৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে যাচ্ছে এনটিআরসিএ

৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে যাচ্ছে এনটিআরসিএ

বেসরকারি বিভিন্ন স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *